اَلطَّلَاقُ مَرَّتٰنِ فَاِمۡسَاكٌ ۢ بِمَعۡرُوۡفٍ اَوۡ تَسۡرِيۡحٌ ۢ بِاِحۡسَانٍؕ وَلَا يَحِلُّ لَـکُمۡ اَنۡ تَاۡخُذُوۡا مِمَّآ اٰتَيۡتُمُوۡهُنَّ شَيۡـــًٔا اِلَّاۤ اَنۡ يَّخَافَآ اَ لَّا يُقِيۡمَا حُدُوۡدَ اللّٰهِؕ فَاِنۡ خِفۡتُمۡ اَ لَّا يُقِيۡمَا حُدُوۡدَ اللّٰهۙ ِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيۡهِمَا فِيۡمَا افۡتَدَتۡ بِهٖؕ تِلۡكَ حُدُوۡدُ اللّٰهِ فَلَا تَعۡتَدُوۡهَاۚ وَمَنۡ يَّتَعَدَّ حُدُوۡدَ اللّٰهِ فَاُولٰٓٮِٕكَ هُمُ الظّٰلِمُوۡنَ
তাফসীর
সূরা বাক্বারাহ
অনুবাদ
তালাক হ’ল দু’বার। অতঃপর সে তাকে ন্যায়ানুগভাবে রেখে দিবে অথবা সদাচরণের সাথে পরিত্যাগ করবে। আর তোমরা তাদেরকে যা দিয়েছ, তা থেকে কিছু ফেরৎ নেওয়া তোমাদের জন্য বৈধ হবেনা। তবে যদি তারা আল্লাহ্র নির্ধারিত সীমা ঠিক রাখতে পারবেনা বলে আশংকা করে। এক্ষণে যদি তোমরা ভয় কর যে তারা আল্লাহ্র নির্ধারিত সীমা ঠিক রাখতে পারবেনা, তাহ’লে স্ত্রী যদি কিছু বিনিময় দিয়ে মুক্তি (খোলা) চায়, তবে তা গ্রহণে উভয়ের কোন দোষ নেই। এটাই আল্লাহ্র সীমারেখা। অতএব তোমরা তা অতিক্রম করোনা। বস্ত্তত যারা আল্লাহ্র সীমারেখা অতিক্রম করে, তারা হ’ল সীমালংঘনকারী।
তাফসীর
এই আয়াতের তাফসীর এখনো যুক্ত হয়নি।