بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
আমি শপথ করছি পুনরুত্থান দিবসের।
এবং শপথ করছি ধিক্কার দানকারী আত্মার।
মানুষ কি মনে করে যে, আমরা তার অস্থিসমূহ কখনোই একত্রিত করব না?
হ্যাঁ, আমরা তার অঙ্গুলীর অগ্রভাগ পর্যন্ত পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম।
বরং মানুষ ভবিষ্যতে আরও পাপাচার করতে চায়।
সে প্রশ্ন করে পুনরুত্থান দিবস কখন হবে?
অতঃপর যেদিন চক্ষু স্থির হয়ে যাবে
এবং চন্দ্র জ্যোতিহীন হবে।
আর সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে।
সেদিন মানুষ বলবে, কোথায় পালাব?
কখনই না। কোথাও আশ্রয় নেই।
সেদিন তোমার প্রতিপালকের নিকটেই হবে অবস্থান স্থল।
সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে, যা সে অগ্রিম পাঠিয়েছে এবং যা সে পশ্চাতে ছেড়ে গেছে।
বরং প্রত্যেক মানুষ নিজের সম্পর্কে ভালো করেই জানে।
যদিও সে (বাঁচার জন্য) নানা অজুহাত পেশ করে।
তাড়াতাড়ি ‘অহি’ আয়ত্ত করার জন্য তুমি দ্রুত জিহবা সঞ্চালন করো না।
নিশ্চয়ই এর সংরক্ষণ ও পাঠ করানোর দায়িত্ব আমাদের।
অতএব যখন আমরা তা (জিব্রীলের মাধ্যমে) পাঠ করি, তখন তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর।
অতঃপর এর ব্যাখ্যা দানের দায়িত্ব আমাদেরই।
কখনোই না। বরং তোমরা দুনিয়াকেই (অধিক) ভালবাস।
আর আখেরাতকে ছেড়ে চল।
সেদিন অনেক চেহারা হবে উজ্জ্বল।
তারা তাদের প্রতিপালকের দিকে তাকিয়ে থাকবে।
আর সেদিন অনেক চেহারা হবে বিবর্ণ।
আশংকা করবে যে, তাদের সাথে ধ্বংসকারী আচরণ করা হবে।
কখনই না। যখন প্রাণ ওষ্ঠাগত হবে
এবং বলা হবে, কে আছ ঝাড়-ফুঁককারী?
সে নিশ্চিত হবে যে, এটাই তার বিদায় মুহূর্ত।
আর তার পায়ের নলার সাথে নলা জড়িয়ে যাবে।
সেদিন হবে তোমার প্রতিপালকের নিকট ফিরে যাওয়ার দিন।
সে বিশ্বাস করেনি ও ছালাত আদায় করেনি।
কিন্তু সে মিথ্যারোপ করেছে ও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
অতঃপর সে দম্ভভরে তার পরিবারের কাছে ফিরে গিয়েছে।
ধিক তোমাকে পুনরায় ধিক!
অতঃপর ধিক তোমাকে পুনরায় ধিক!
মানুষ কি মনে করে যে, এমনিতেই তাকে ছেড়ে দেয়া হবে?
সে কি স্খলিত বীর্যের শুক্রাণু ছিল না?
অতঃপর সে হ’ল রক্তপিন্ড। অতঃপর আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করলেন ও বিন্যস্ত করলেন।
অতঃপর তা থেকে সৃষ্টি করলেন জোড়ায় জোড়ায় পুরুষ ও নারী।
তবুও কি তিনি মৃতকে পুনর্জীবিত করতে সক্ষম নন?