بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
যেদিন সূর্যকে আলোহীন করা হবে
যেদিন নক্ষত্র সমূহ খসে পড়বে
যেদিন পর্বতমালা চালিত হবে
যেদিন দশ মাসের গাভিন উষ্ট্রীগুলো উপেক্ষিত হবে
যেদিন বন্যপশুদের একত্রিত করা হবে
যেদিন সমুদ্রগুলিকে অগ্নিময় করা হবে
যেদিন আত্মাসমূহকে মিলিত করা হবে
যেদিন জীবন্ত প্রোথিত কন্যা সন্তান জিজ্ঞাসিত হবে
কি অপরাধে সে নিহত হয়েছিল?
যেদিন আমলনামা সমূহ খুলে দেওয়া হবে।
যেদিন আকাশকে আবরণমুক্ত করা হবে।
যেদিন জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হবে।
যেদিন জান্নাতকে নিকটবর্তী করা হবে।
সেদিন প্রত্যেকে জানবে সে কি উপস্থিত করেছে।
আমি শপথ করছি ঐসব নক্ষত্রের, যা (দিবসে) হারিয়ে যায় ও (রাতে) প্রকাশিত হয়।
যা চলমান হয় ও অদৃশ্য হয়।
শপথ রাত্রির যখন তা নিষ্ক্রান্ত হয়।
শপথ প্রভাতকালের যখন তা প্রকাশিত হয়।
নিশ্চয় এই কুরআন সম্মানিত বাহকের (জিব্রীলের) আনীত বাণী।
যিনি শক্তিশালী এবং আরশের অধিপতির নিকটে মর্যাদাবান।
যিনি সকলের মান্যবর ও সেখানকার বিশ্বাসভাজন।
তোমাদের সাথী (মুহাম্মাদ) পাগল নন।
তিনি অবশ্যই তাকে (জিব্রীলকে) দেখেছেন প্রকাশ্য দিগন্তে।
আর অদৃশ্য বিষয় (অহি) বর্ণনায় তিনি (মুহাম্মাদ) কৃপণ নন।
এটা (কুরআন) বিতাড়িত শয়তানের উক্তি নয়।
অতএব তোমরা কোথায় যাচ্ছ?
এটা তো বিশ্ববাসীদের জন্য উপদেশ মাত্র।
সেই ব্যক্তির জন্য, যে তোমাদের মধ্যে সরল পথে চলতে চায়।
আর তোমরা (আল্লাহ্র পথের) ইচ্ছা করতে পার না, যদি না আল্লাহ ইচ্ছা করেন। যিনি বিশ্বচরাচরের পালনকর্তা।