بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে
এবং সে তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে। আর এটাই তার কর্তব্য।
যেদিন পৃথিবী প্রসারিত হবে
এবং তার ভিতরকার সবকিছু বাইরে নিক্ষেপ করবে ও সেটি খালি হয়ে যাবে।
আর সে তার পালনকর্তার আদেশ পালন করবে। আর এটাই তার কর্তব্য।
হে মানুষ! তুমি নিশ্চিতভাবে তোমার কৃতকর্মসহ তোমার প্রভুর পানে ফিরে চলেছ। অতঃপর তুমি তার সাথে সাক্ষাৎ করবে।
অতঃপর যাকে তার আমলনামা তার ডান হাতে দেওয়া হবে,
তার হিসাব নেওয়া হবে সহজভাবে।
এবং সে তার পরিবারের কাছে হৃষ্টচিত্তে ফিরে যাবে।
পক্ষান্তরে যাকে তার আমলনামা তার পিঠের পিছন থেকে দেওয়া হবে,
সে তার ধ্বংসকে আহবান করবে
এবং জ্বলন্ত অগ্নিতে প্রবেশ করবে।
অথচ (দুনিয়াতে) সে তার পরিবারে হৃষ্টচিত্তেই ছিল।
সে ভেবেছিল যে, সে কখনোই (তার প্রভুর কাছে) ফিরে যাবে না।
হ্যাঁ (অবশ্যই সে ফিরে যাবে)। নিশ্চয়ই তার প্রভু তার বিষয়ে সবকিছু জানেন।
আমি শপথ করছি সান্ধ্য লালিমার,
এবং রাত্রির ও যা সে জমা করে,
এবং চন্দ্রের, যখন তা পূর্ণরূপ ধারণ করে।
নিশ্চয়ই তোমরা এক স্তর হ’তে অন্য স্তরে অধিরোহন করবে।
অতএব তাদের কি হ’ল যে তারা বিশ্বাস স্থাপন করে না?
এবং যখন তাদের কাছে কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তারা সিজদা করে না? (সিজদা-১৪)
বরং কাফেররা এর প্রতি মিথ্যারোপ করে।
অথচ আল্লাহ ভালভাবেই জানেন যা তারা (বুকের মধ্যে) সঞ্চিত রেখেছে।
অতএব তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও।
কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সমূহ সম্পাদন করে, তাদের জন্য রয়েছে অবিচ্ছিন্ন পুরস্কার।