بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
শপথ ফজরের
শপথ দশ রাত্রির
শপথ জোড় ও বেজোড়ের
শপথ রাত্রির, যখন তা অতিক্রান্ত হ’তে থাকে।
নিশ্চয়ই ঐসবের মধ্যে বড় ধরনের শপথ রয়েছে জ্ঞানী ব্যক্তির জন্য।
তুমি কি জানো না তোমার প্রভু কি আচরণ করেছিলেন ‘আদ গোত্রের সাথে?
ইরম বংশের। যারা ছিল উঁচু স্তম্ভসমূহের মালিক।
যাদের ন্যায় কাউকে জনপদ সমূহে সৃষ্টি করা হয়নি।
এবং (কি আচরণ করেছিলেন) ছামূদ গোত্রের সাথে? যারা পাথর কেটে উপত্যকায় গৃহ নির্মাণ করেছিল।
এবং (কি আচরণ করেছিলেন) ফেরাঊনের সাথে? যে ছিল বহু কীলকের অধিকারী।
যারা দেশে সীমালংঘন করেছিল।
অতঃপর সেখানে তারা বহু অনাচার করেছিল।
ফলে তোমার প্রতিপালক তাদের উপরে শাস্তির কশাঘাত হানেন।
নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক ঘাটিতে ওঁৎ পেতে আছেন।
কিন্তু মানুষ এরূপ যে, যখন তার প্রতিপালক তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তাকে সম্মানিত করেন ও সুখ-সম্পদ দান করেন, তখন সে বলে, আমার প্রভু আমাকে সম্মানিত করেছেন।
পক্ষান্তরে যখন তিনি তাকে পরীক্ষায় ফেলেন এবং তার রূযী সংকুচিত করেন, তখন সে বলে, আমার প্রভু আমাকে হেয় করেছেন।
কখনোই (এরূপ) নয়। বরং তোমরা ইয়াতীমকে সম্মান কর না।
এবং অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না।
আর তোমরা মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত সম্পদ যথেচ্ছভাবে ভক্ষণ করে থাক,
এবং তোমরা ধন-সম্পদকে অত্যধিক ভালবাস।
এটা কখনই ঠিক নয়। (স্মরণ কর) যেদিন পৃথিবী চূর্ণ-বিচূর্ণ হবে,
এবং তোমার পালনকর্তা আসবেন ও ফেরেশতামন্ডলী থাকবে সারিবদ্ধভাবে,
যেদিন জাহান্নামকে আনা হবে। যেদিন মানুষ (তার কৃতকর্ম) স্মরণ করবে। কিন্তু তখন তার এই স্মৃতিচারণ কোন্ কাজে আসবে?
সেদিন সে বলবে, হায়! যদি আমার এই (পরকালীন) জীবনের জন্য অগ্রিম কিছু (সৎকর্ম) পাঠিয়ে দিতাম!
অতঃপর সেদিন আল্লাহ্র শাস্তির ন্যায় শাস্তি কেউ দিবে না।
এবং তাঁর বাঁধনের ন্যায় শক্ত বাঁধন কেউ দিবে না।
হে প্রশান্ত আত্মা!
ফিরে চলো তোমার প্রভুর পানে, সন্তুষ্ট চিত্তে ও সন্তোষভাজন অবস্থায়।
অতঃপর প্রবেশ কর আমার বান্দাদের মধ্যে।
এবং প্রবেশ কর আমার জান্নাতে।